বাংলাদেশের চলমান রাজনীতি ও দুর্নীতি: সন্ত্রাসের জনপদ জিম্মি জনগণ?
এলোমেলো করে দে মা লুটেপুটে খাই’বাংলাদেশের রাজনীতি- তোষননীতি ও চাটুকারিতার উপর নির্ভরশীল!
রাজনীতি ও জনজীবন সুস্থ ও স্বাভাবিক নয়, রুগ্ণ, বিকারগ্রস্ত, দুর্বল।
সাধারন মানুষ দেশের বর্তমান রাজনীতি নিয়ে খুবই হতাশ! তারা কোন রাজনীতিবিদ বা জনপ্রতিনিধিকে বিশ্বাস করেনা! নিজের বা সমাজের কোন বিষয় নিয়ে জন প্রতিনিধির উপর নির্ভর করা যায় এমন মন মানষিকতা সাধারণ মানুষের মধ্যে আমরা দেখিনা! জনগন ক্ষমতাবান লোকদের চরিত্রহীন,লম্পট,দূর্নীতিবাজ,জনগনের অর্থ লোপাটকারী হিসেবেই ভাবে ! তারা একথাও ভাবে যে কোন লোক ব্যক্তিগত স্বার্থ,উচ্চাভিলাষ এবং পদ পদবীর লোভ ছাড়া কেবল জন কল্যানের মন মানষিকতা নিয়ে রাজনীতিতে আসে না !এদেশে এমপিরা খুন করে,আত্মরক্ষার্থে নাকি শিশুদের গুলি করে,মাদক চোরাকারবারীর সঙ্গে জড়িত থাকে! রাত বিরাতে রং মহলে যায়-জোর করে ২ নম্বর বা ৩ নম্বর বউ হিসেবে কারো কন্যা বা স্ত্রীকে ভাগিয়ে নিয়ে আসে ! অবৈধ উপার্জনের টাকা দিয়ে নেশা করে এবং জুয়া খেলে দেশও জাতির সর্বনাশ ঘটায়!সমাজের কুৎসিত চেহারার এবং কুৎসিত আকৃতির লোকেরা নেতা হয় অথচ দুনিয়ার সব জায়গায় রাজনৈতিক নেতৃত্বের চেহারা সুরুত আকার আকৃতি শিক্ষা দীক্ষা বংশমর্যাদা এবং অর্থনৈতিক সচ্ছলতা দেশের সাধারন মানুষের গড় পড়তা অবস্থানের চেয়ে উচু মানের হয়! জন্মগত, পরিবেশগত এবং প্রাতিষ্টানিক ভাবেই নেতৃবৃন্দ সাধারন মানুষের চেয়ে বহুগুনে শ্রেষ্ট হন!ফলে জনগনের শ্রদ্ধা ভালোবাসা এবং আস্থা লাভ করতে তাদের কোন কষ্টই হয় না! কিন্তু বাংলাদেশে দেখা যায় তার উল্টো!ইউনিয়ন পরিষদের একজন মেম্বার থেকে শুরু করে মন্ত্রী পর্যন্ত একজন লোকও খুজে পাওয়া যাবে কিনা সন্দেহ যার আশে পাশের লোকজন,সহকর্মী ,সুবিধাভোগী এবং অধীনস্ত অধঃস্তনরা গর্ব করে বলবে" আমাদের নেতা সব দিক থেকেই আমাদের চেয়ে শ্রেষ্ঠতর!বরং জনগন নেতাদেরকে পাগলা কুত্তা বা ষাঁড়ের মতো ভীষন ভয়ঙ্কর প্রাণী মনে করে তাদের থেকে দূরে থাকতে চেষ্টা করে তাদের দেখলেই জনগন ভাবে এই বুঝি আমাকে কামরাতে বা গুতো মারতে এলো !
দেশে এখন খুন, দুর্নীতি লুটপাট ও ঘুষের মহা উৎসব চলছে............
এলোমেলো করে দে মা, লুটেপুটে খাই। সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে। লুটপাট চলছে, লুটপাট চলবে......................., দেশজুড়ে এখন লুটের রাজত্ব চলছে। তৈরি হয়েছে লুটেরাদের ত্রিভুজ/চর্তুভূজ শোষন।সরকার, সাবেক বিরোধী দল,সরকারী আমলা, সরকারী চাকুরীজিবী- সর্বত্র লুটপাট চলছে ব্যাংকে টাকা নেই। দিশে হারা সরকার প্রধান-মহাসড়ক থেকে টোল আদায়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর।
জানা গেছে, আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ন খাগড়াছড়ি ৬ এর ঘর মেরামত কাজে মাত্র দুই বান টিনের দাম দেখানো হয়েছে ১৪ লাখ টাকা। এছাড়াও কাজ শুরুর মাত্র ২০ দিনের মধ্যেই বাজেটের ৭১ লাখ টাকা তুলে নেয়া হয়। অথচ মেরামত কমিটির সদস্য সচিবের দেয়া ‘নোট অব ডিসেন্ট’ থেকে জানা যায়, চার মাসে মাত্র ১৫ ভাগ কাজ হয়েছে।
মেসার্স তাপস এন্টারপ্রাইজ ও মেসার্স মিশু এন্টারপ্রাইজ ছিল এসব সংস্কারসহ অন্য দুটি কাজের দায়িত্বে। মিশু এন্টারপ্রাইজের কর্ণধার মোহাম্মদ জসিম। অন্যদিকে তাপস এন্টারপ্রাইজ নামের প্রতিষ্ঠানটিও চলে তার কর্তৃত্বেই।
পর্দার দাম ৩৭ লাখ, অক্সিজেন জেনারেটরের দাম ৫ কোটি ২৭ লাখ
আলোচিত রূপপুর বালিশকাণ্ডকে হার মানিয়ে এবার বিস্ময়কর দুর্নীতির নতুন নজির গড়েছে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ (ফেমিক) হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হাসপাতালের জন্য কোরিয়া থেকে কেনা হয়েছে সাড়ে ৩৭ লাখ টাকা দামের পর্দা। এত দাম দিয়ে পর্দা কেনা হলেও ব্যবহার নেই বছরের পর বছর। একইভাবে অভাবনীয় দাম দেখিয়ে কেনা বেশিরভাগ যন্ত্রই ফেলে রাখা হয়েছে। সরকারি ফ্ল্যাটে বালিশের মূল্য দেখে চোখ কপালে দেশবাসীর।
জামালপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ কবিরের নিজ কার্যালয়ে এক নারীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি এখন আন্তর্জাতিক একাধিক পর্ন সাইটে চলে গেছে।
ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি মিনিট পাঁচেকের হলেও পর্ন সাইটে পুরো ২৪ মিনিট ৫৮ সেকেন্ডের ভিডিও আপ হয়েছে। অর্থাৎ ফেসবুক বা ম্যাসেঞ্জারে কাটছাট করে ছাড়া হয়েছিল ভিডিওটি। ।ভিডিও ধারণকারীর বিচার চাইলেন অপকর্মে লিপ্ত সেই নারী.................. ।
স্ত্রীর জন্য রিফাত পালাননি, মিন্নি দিতে পারেননি কবরে মাটি ! অপরাধী ডা. আকাশ? নাকি ডাক্তার মিতু? বাংলাদেশের আইনে পরকীয়া এবং অবৈধ সম্পর্কের নারীদের শাস্তি কি?
কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প কি অপরাধ জগতে পরিণত হয়েছে? গড়ে কেবল এক লাখ টাকা খরচ করলেই বাংলাদেশি পাসপোর্ট মিলছে রোহিঙ্গাদের৷ তাদের সহায়তা করছে বাংলাদেশেরই দালাল চক্র৷
ছাত্রলীগ নামক বিষবৃক্ষের অপকর্ম আমাদের মাথা নিচু করে দিয়েছে -ওবায়দুল কাদের
১০ বছরে আমেরিকাকে পেছনে ফেলবে বাংলাদেশ: প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী-এখনই তো পেছনে ফেলে দিসে, ৭ হাজার টাকায় বালিশ, ১ লাখ টাকায় টিন, ৩৭ লাখ টাকায় পর্দা!
“অদ্ভুত আঁধার এক এসেছে এ-পৃথিবীতে (বাংলাদেশে) আজ,
যারা অন্ধ সবচেয়ে বেশি আজ চোখে দেখে তারা;
যাদের হৃদয়ে কোনো প্রেম নেই—প্রীতি নেই—করুণার আলোড়ন নেই
পৃথিবী অচল আজ তাদের সুপরামর্শ ছাড়া।
যাদের গভীর আস্থা আছে আজো মানুষের প্রতি
এখনো যাদের কাছে স্বাভাবিক ব'লে মনে হয়
মহৎ সত্য বা রীতি, কিংবা শিল্প অথবা সাধনা
শকুন ও শেয়ালের খাদ্য আজ তাদের হৃদয়।
একটির পর একটি দুর্নীতির রেকর্ড হচ্ছে। আমরা ইতিহাস সৃষ্টি করব। সাড়ে ৫ হাজার টাকা দামের একটি বই স্বাস্থ্য অধিদফতর কিনেছে ৮৫,৫০০ টাকায়! আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়নের ঘর মেরামতের জন্য একটি টিন কেনা হয়েছে এক লাখ টাকায়। যা বর্তমান বাজার মূল্যের তুলনায় ১০০ গুণেরও বেশি। খাগড়াছড়ির ৬-আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) কিছু ঘর মেরামতের কাজে এমন দামে টিন কেনা হয়েছে।